আপনার গৃহ ডাক্তার, সার্বক্ষণিক বিপদের বন্ধু তিরয়াক
যে কোন রোগে একবার জিহবার নীচে ৫ ফোটা তিরয়াক অথবা ১ গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খাবেন অথবা চায়ের সাথে মিশিয়ে খাবেন।
তিরয়াক তৈরীর উপাদানে রয়েছে অক্সিজেন সরবরাহকারী উদ্ভিদ ও খনিজ দ্রবা। যা জিহ্বার নিচে ৫ ফোটা তিরয়াক ঢেলে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করে শরীর কে সুস্থ রাখে। তিরয়াক প্রাকৃতিক সর্বরোগ প্রতিরোধক। মানব শরীরে যত উপাদান আছে সবগুলো মাটির নির্যাস। আর যে সব উদ্ভিদ লতা-পাতা বৃক্ষে মানব দেহের নির্যাসগুলো বিদ্যমান থাকে সে সব উদ্ভিদ থেকে তৈরী ঔষধ সর্বরোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। কারণ ঔষধ হচ্ছে খাদ্য উপাদান ঘাটতির পরিপূরক। মানব দেহে যে সব উপাদান আছে তা হচ্ছে-
বর্ণিত কোন কোন শারীরিক উপাদান খাদ্য থেকে গ্রহণ না হলে মানুষ অসুস্থ হয় এবং সে কারণেই ডাক্তাররা টেস্ট করে বর্ণিত উপাদানগুলোর থেকে ঘাটতি হলে বা বাড়তি হলে তা ঔষধের মাধ্যমে পূরণ করেন, তিরয়াক যে সব উদ্ভিদ প্রণালীত প্রস্তুত সে সব খাদ্য উপাদানগুলো সে সব উদ্ভিদে বিদ্যমান। এ কারণেই তিরয়াক সর্বরোগের মহা ঔষধ।
সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা,যাবতীয় উপসর্গ থেকে রক্ষা পেতে দিনে একবার তিন ফোটা তিরয়াক হাতের তালুতে নিয়ে কিছুক্ষণ ঘষে নশ টানবেন।
কপালের দুই পাশে এবং ঘাড়ে মালিশ করবেন এবং নাকে নশ টানবেন।
আগে কটন বার দিয়ে কান পরিস্কার করে কয়েক ফোটা তিরয়াক পাকা স্থানে ঢেলে দিন। একবারে না শুকালে ২দিন পরপর কয়েকবার দিন।
আঙ্গুল দিয়ে দাঁতের ব্যথার স্থানে তিরয়াক লাগিয়ে দশ মিনিট মুখ বন্ধ রাখুন। এবং তিনদিন পরপর প্রতিরাতে লবন দিয়ে দাঁত মাজুন।
নখের চিকা বা নখকুনিতে প্রতিদিন রাতে শোয়ার সময় নখের গোড়ায় বেশি করে তিরয়াক ঢেলে দিন। যাতে ক্ষতস্থানের ভিতরে তিরয়াক ঢুকতে পারে। একটি নখের জন্য ৪ থেকে ৮টি তিরয়াক প্রয়োজন হতে পারে।
তুলাতে ভিজিয়ে কাটা ছেড়া বা পুরোনো ক্ষতের স্থানে ভালো করে তিরয়াক লাগিয়ে দিন- একবার লাগানোর পর না শুকালে ১২ ঘন্টা পরপর কয়েকবার লাগান। ভালো হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।
সপ্তাহে একদিন সকালে খালি পেটে ৫/৭ ফোটা তিরয়াক একগ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেতে হবে। স্থায়ীভাবে সারাতে হলে প্রতিদিন সকাল বিকাল ৫ ফোটা জিহব্বাতে সরাসরি দিতে হবে। পাইলস এর জন্য: পায়খানার রাস্তায় গোটা বা ক্ষত হলে তিরয়াকে আঙ্গুল ভিজিয়ে গোটা বা ক্ষত স্থানে লাগিয়ে দিন। কিছুক্ষণ জ্বলবে ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই।
হার্টের রোগীরা সকালে খালি পেটে ১০ ফোটা তিরয়াক একগ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন দুবার খেতে হবে। এবং নাভিতে ও বুকেতে বেশী করে ঔষধ মালিশ করতে হবে।
বাচ্চাদের জন্য ২/৩ ফোটা, বয়স্কদের জন্য ১৫/২০ ফোটা ঔষধ সরাসরি গলার ভিতরে ঢেলে দিতে হবে এবং কয়েক ফোটা ঔষধ গলার বাহিরে এবং বুকে মালিশ করতে হবে। কয়েক মাস নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে।
প্রতিদিন একগ্লাস ঠান্ডা পানির সাথে বিশ ফোটা ঔষধ মিশিয়ে পরপর ১০দিন আধা খালি পেটে খেতে হবে।
গ্যাস্টিকের জন্য আধাগ্লাস ঠান্ডা পানিতে আধা শিশি ঔষধ মিশিয়ে খাওয়াতে হবে তিনদিন পরপর। প্রস্রাবের জ্বালা ও প্রেসারের জন্য আধা গাস ঠান্ডা পানিতে ২০ ফোটা ঔষধ মিশিয়ে যেতে হবে এবং ঘাড়ে মালিশ করতে হবে।
শরীরের পঁচন ধরা রোধ করতে গ্যাংরিন থেকে আরোগ্য পেতে ক্ষতস্থানে পর্যাপ্ত তিরয়াক দিয়ে ভিজিয়ে দিন। আরোগ্য না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহার অব্যাহত রাখুন।
কিডনী সমস্যা দূর করতে কিডনী স্থান বা তার আশেপাশে তিরয়াক দিয়ে ভিজিয়ে দিতে হবে। প্রতিদিন রাতে ব্যবহার করতে হবে। আরোগ্য না হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত ব্যবহার করুন।
টিউমার স্থানে এবং টিমারের স্থান থেকে আশেপাশে দুই ইঞ্চি পর্যন্ত স্থানে তিরয়াক দিয়ে ভিজিয়ে প্রতিদিন রাতে একবার করে কয়েকমাস ব্যবহার করতে হবে। টিউমার চলে যাবে।
শরীরে গোটা গোটা হলে তিরয়াক বেশী করে মালিশ করতে হবে। তিরয়াক দিয়ে ভাসিয়ে কয়েকবার ভিজিয়ে দিতে হবে। ভালো হয়ে যাবে।
নিদ্রার জন্য ঘুমাবার আগে মাথার তালুতে ২০ ফোটা ব্যবহার করতে হবে।
এবং ব্রেইন স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে জিহ্বার নিচে ৫ ফোটা ঢেলে দিন। মাথার তালুতে ২০ ফোটা অথবা এক গ্লাস পানিতে ৫ ফোটা মিশিয়ে খেয়ে নিবেন।
হাত ও পায়ের তালুতে জ্বালা-পোড়া রোধ করতে ২০ ফোটা লাগাবেন। এক গ্লাস পানিতে ৫ ফোটা মিশিয়ে খান এবং আক্রান্ত স্থানে তিরয়াক লাগান।
আধা কাপ লেবুর রসের সাথে ২০ ফোটা ঢেলে দিন ব্যথা বা ধরাস্থানে লাগাতে হবে।
মেয়েদের অতিরিক্ত ঋতু স্রাব প্রসাবের দুরগন্ধ এবং অনিয়মিত পিরিয়ড নিয়মিত করতে খালি পেটে ১০ ফোটা পানিতে মিশিয়ে কয়েকবার খান। সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহার অব্যাহত রাখুন।
© 2025 Tirakbd. All rights reserved.